Swedish Institute (SI) Scholarship | PIKDIGG

Swedish Institute (SI) Scholarship

পৃথিবীর সবথেকে সম্মানিত পুরস্কার হলো “Nobel Prize” আর এই পুরস্কার প্রদানকারী দেশটি হলো সুইডেন। ইউরোপের এই দেশে যদি স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে যাওয়া যায় তাহলে তো আর কোনো কথাই নাই। আর এস এই (SI) স্কলারশিপ সুইডেন সরকারের দেয়া অন্যতম একটি স্বনামধন্য স্কলারশিপ যার মূল নাম হলো সুইডিশ ইন্সটিটিউট স্টাডি স্কলারশিপ (Swedish Institute Study Scholarships)। বর্তমানে সুইডেন সরকার এস এই স্কলারশিপ SISGP (Swedish Institute Scholarships for Global Professionals) নামে দিচ্ছে। মূলত সুইডেনে ১-২ বছর মেয়াদী মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য এই স্কলারশিপ দেয়া হয়ে থাকে।

এই বছর সারা বিশ্বের মাঝে ৩৪ টি দেশ থেকে মোট ৩০০ জনকে  এই স্কলারশিপ দেয়া হবে। বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রী বা প্রফেশনালরা ও স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবে।

আবেদনের সময়সীমা-

  • এডমিশনের জন্য ১৬ অক্টোবর থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করা যাবে।
  • স্কলারশিপের জন্য ১৫ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি এর মাঝে আবেদন করা যাবে।

প্রোগ্রাম লেভেল- ফুল টাইম মাস্টার্স ডিগ্রী প্রোগ্রাম।

যেই প্রোগ্রামগুলি SI Scholarship এ অন্তর্ভুক্ত- Eligible Program Lists

যা যা পাবেন

  • সম্পুর্ন টিউশন ফি
  • মাসে লিভিং এক্সপেন্স মেটানোর জন্য ১০০০০ SEK ভাতা যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৯০ হাজার টাকা
  • এককালীন ট্রাভেল ভাতা ১৫০০০ SEK (১ লাখ 32 হাজার টাকা প্রায়)
  • স্বাস্থ্যবীমা
  • SI Network for the Future Global Leaders (NFGL) নামক সংঘটনের ফ্রী মেম্বারশীপ। এই সংঘটনটি Si Scholarship holder দের জন্য সুইডিশ লাইফ স্টাইলকে এক্সপ্লোর, সোসাইটি এবং প্রফেসনাল ইন্টিগ্রেসন তথা নেটওয়ার্কিং এর জন্য অসাধারন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে।
  • স্কলারশিপ পিরিয়ড শেষে ফ্রী মেম্বারশীপ সুবিধা মিলবে SI Alumni Network এর সাথে যুক্ত হওয়ার যা পেশাগত ক্যারিয়ারে অনেক সুবিধা প্রদান করবে।

আবেদনের যোগ্যতা

  1. বিশ্ববিদ্যালয়ে এডমিশন: যে প্রোগ্রামে আবেদন করবেন সে প্রোগ্রামের English Proficiency Test Score (IELTS, TOEFL) রিকোয়ারমেন্টসহ অন্যান্য রিকোয়ারমেন্ট পূরণ করতে হবে।                                     
  2. Medium of Instruction দিয়ে আবেদন করা যাবে?
    যারা শুধু Dhaka Medical College থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করেছেন, তারাই শুধু English Proficiency Test Waiver হিসেবে Medium of Instruction ব্যবহার করতে পারবেন। অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করে থাকলে, এটি ব্যবহার করা যাবেনা। এই বিষয়ে নিউজ এখানে
  3. কাজের ও লিডারশীপের অভিজ্ঞতা: ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ পর্যন্ত আবেদনকারীর অন্তত ৩ হাজার ঘন্টা কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। লিডারশিপ অভিজ্ঞতার জন্য কোনো নূন্যতম ঘন্টার প্রয়োজন নেই।  নিম্নোক্ত কাজ গুলো Work Experience হিসেবে দেখানো যাবে :
  • Full-time employment
  • Part-time employment
  • Voluntary work
  • Paid or unpaid internships
  • Position of trust (for instance, chairperson at student union)

উল্লেখ্য পুরো Work Experience যে এক কাজেই দেখাতে হবে এমন নয় অথবা এপ্লাই এর সময় যে চাকুরীরত থাকতেই হবে তাও নয় (যদি না আগে থেকেই ভিন্ন ভিন্ন কাজের অভিজ্ঞতার প্রমানপত্র রেডী থাকে)। হাই স্কুল পাশের পর থেকে করা সব কাজের সর্বমোট কর্মঘন্টা উক্ত ক্রাইটেরিয়া ফিল আপ করবে। তন্মধ্যে ইন্টার্নশীপের এক বছর কাউন্ট করবে কাজের অভিজ্ঞতা হিসেবে , সুতরাং বাকি এক বছর ক্লিনিক, হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ অথবা এনজিও  তে কাজের অভিজ্ঞতা হলেই চলবে।

আবেদন করতে যা যা লাগবে

  • একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট এবং সার্টিফিকেট।
  • একটি মোটিভেশন লেটার
  • সিভি: SISGP Template সিভি।
  • রেফারেন্স লেটার: ২ টি রেফারেন্স লেটার লাগবে। এই ২ টির মধ্যে একটি হতে হবে “work experience” রিলেটেড রেফারেন্স লেটার যা সংগ্রহ করা যাবে নিজের জব সেক্টর  এর সুপারভাইজার/মেডিকেল ডিরেক্টর/বিভাগীয় প্রধান/ কলেজের অধ্যক্ষ এর কাছ থেকে। ২য় টি নিজের কর্মক্ষেত্রের বাইরে যদি কোনো সামাজিক/পেশাগত/ কালচারাল সংগঠনের সাথে জড়িত থাকেন তবে সেখানকার সুপা্রভাইজার এর কাছ থেকে নেয়া যেতে পারে, কিন্তু অনেকেই নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা সিনিয়র অধ্যাপকের কাছে থেকে এই ২য় রেফারেন্স লেটার টি সংগ্রহ করে থাকেন।
  • লিডারশিপ ও কাজের অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্র: এর ওয়েবসাইট থেকে ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে।এই লেটারটিও ঠিক মতো গুছিয়ে টাইপ করে প্রিন্ট আঊট বের করতে হবে এবং তাতে সাইন করে, অফিসিয়ালি সীল দিয়ে স্কেন করে পিডিএফ ফাইল টি আপলোড করতে হবে। ভিন্ন ভিন্ন কাজের অভিজ্ঞতা এতে সংযুক্ত করা যাবে কিন্তু তার সাপেক্ষে প্রমান হিসেবে যদি উপযুক্ত সুপারভাইজারের সাইন এবং প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল সীল দিয়ে সত্যায়িত না করে দেয়া হয় তবে তা গ্রহনযোগ্য হবে না।
  • পাসপোর্ট: এক কপি  স্ক্যান করা পাসপোর্ট।

আবেদন করবেন যেভাবে

প্রথমেই একটা কনসেপ্ট ক্লিয়ার  হওয়া দরকার যে – Swedish University Admission authority এবং SI Scholarship authority দুইটি আলাদা প্রতিষ্ঠান। দুইটির ই eligibility criteria and admission procedure ভিন্ন। SISGP Scholarship এর জন্য মনোনীত হতে হলে একজন ব্যাক্তিকে আগে সুইডিশ ইউনিভার্সিটি  গুলোতে Eligible master’s program এ ভর্তির জন্য universityadmission.se তে গিয়ে আবেদন করতে হবে।

আবেদনটির দুটি প্রধান ধাপ রয়েছে।

প্রথম ধাপ:

  • প্রথমে আপনাকে এলিজিবল ৪ টা প্রোগ্রাম সিলেক্ট করতে হবে। আপনি এই লিংক থেকে এলিজিবল প্রোগ্রামগুলি দেখতে পারবেন।
  • তারপর এই লিংক থেকে এই ৪ টা প্রগ্রামে অবশ্যই ১৫ জানুয়ারী এর মদ্ধে আবেদন করতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপ:

  • ৪ টি প্রোগ্রামে আবেদন করার পর এস আই  স্কলারশিপের ওয়েবসাইট থেকে স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
  • আবেদন পোর্টাল খুলা থাকবে ১৫ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ পর্যন্ত।

আবেদন ফি-

আবেদন সাবমিট করতে আবেদন ফি হিসেবে ৯০০ SEK ( প্রায় ৮০০০ টাকা) প্রদান করতে হবে। একাধিক প্রোগ্রামে আবেদনের ফলে আবেদন ফি বৃদ্ধি পাবে না। অর্থাৎ ৪ টি প্রোগ্রামে আবেদন করলেও আবেদন ফি হিসেবে মোট ৯০০ SEK লাগবে। যাদের পক্ষে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে আবেদন ফি দেয়া সম্ভব নয় তারা আমাদের মাধ্যমে ফি জমা দিতে পারবেন।

আমাদের সার্ভিস-

আবেদনের ক্ষেত্রে আপনি আমাদের অনলাইন সাপোর্ট নিতে পারেন। সার্ভিসটি নিলে আমরা আপনার অনলাইনে এপ্লিকেশন কমপ্লিট করে দিবো অথবা আপনি নিজে এপ্লিকেশন করতে চাইলে আবেদনের সময় অনলাইনে থেকে আবেদনের প্রতিটি পর্যায় চেক করে দিবো। এতে আপনি নির্ভুল ভাবে আবেদন করে নিশ্চিত থাকতে পারবেন। আমাদের সার্ভিস চার্জ ৫০০০ টাকা।

Message Us

তাছাড়াও আমরা রিসার্চ প্রপোজাল, এসওপি, সিভি লিখন ও রিভিউ সেবা দিয়ে থাকি।

Facebook Comments

3 thoughts on “Swedish Institute (SI) Scholarship”

Leave a Comment

01572213180