Hungary-Government-Scholarship

হাঙ্গেরি সরকারী স্কলারশিপ

ইউরোপের একটি অন্যতম রাষ্ট্র হলো হাঙ্গেরি। বর্তমানে বাংলাদেশ ও হাঙ্গেরি সরকারের মধ্যে চুক্তি রয়েছে যে তারা প্রতি বছর একটা নির্দিষ্ট সংখ্যক বাংলাদেশী ছাত্রদের বৃত্তি প্রদান করবে।

হাঙ্গেরি সরকার ২০১৩ সাল থেকে স্টাইপেন্ডিয়াম হাঙ্গেরিকাম স্কলারশিপ দিয়ে আসছে। ২০১৯-২০ শিক্ষা বর্ষে প্রায় ৪৫০০ বিদেশী শিক্ষার্থী এই স্কলারশিপের আওতায় আন্ডারগ্র্যাজুয়েট, গ্র্যাজুয়েট, ওয়ান টায়ার মাস্টার্স এবং ডক্টরাল হাঙ্গেরি তে পড়তে পেরেছিলো। এই বছর এই সংখ্যাটা আরো বাড়বে।। তাছাড়া, বাংলাদেশ থেকে আন্ডারগ্র্যজুয়েট এবং মাস্টার্স পর্যায়ে ৮০ জন এবং ডক্টরাল প্রোগ্রামে ২০ জনকে এই স্কলারশিপ দেয়া হয়েছিল এবং এই বছরেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

কোনো শিক্ষার্থী যদি একই সাথে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট এবং মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য স্কলারশিপ নিতে ইচ্ছুক থাকে তাহলে ওয়ান টায়ার মাস্টার্সের জন্য আবেদন করতে হবে। ওয়ান টায়ার প্রোগ্রাম টি দেয়া হচ্ছে জেনারেল মেডিসিন, ফার্মেসী, ডেন্টিস্ট্রি, আর্কিটেকচার, আইন, ভেটেরিনারি সার্জারি, ফরেস্ট্রি ইঞ্জিন্যারিং ইত্যাদি সাবজেক্টের ক্ষেত্রে।

প্রোগ্রাম লেভেল- ব্যাচেলর, মাস্টার’স এবং পিএইচডি

আবেদনের শেষ সময়- ১৫ জানুয়ারি, ২০২০

স্টাইপেন্ডিয়াম হাঙ্গেরিকাম স্কলারশিপের আওতায় যা যা পাবেন-

  • ফ্রী টিউশন: ইউনিভার্সিটির কোন টিউশন ফি লাগবে না।
  • মাসিক ভাতা: ব্যাচেলর ও মাস্টার্স প্রোগ্রামে যারা যাবেন তারা ১৩০ ইউরো বা প্রায় ১৩,০০০ টাকা করে পাবেন প্রতি মাসে, লিভিং এক্সপেন্স হিসেবে। আর যারা ডক্টরাল প্রোগ্রামে যাবেন তারা প্রতি মাসে ৪৫০ ইউরো বা প্রায় ৪২,০০০ টাকা (প্রথম চার সেমিস্টার) ও পরবর্তী চার সেমিস্টার ৫৮০ বা প্রায় ৫৫,০০০ টাকা ইউরো করে পাবেন।
  • থাকা ফ্রী: ক্যাম্পাসের ডরমিটিরিতে ফ্রীতে থাকার ব্যবস্থা। উল্লেখ্য, ডরমিটরিতে না থাকতে চাইলে মাসে বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১২ হাজার টাকা করে দেয়া হবে বাড়ি ভাড়া ভাতা বাবদ।
  • হেলথ ইনস্যুরেন্স: প্রত্যেক স্টুডেন্ট প্রতি বছর সরবোচ্চ ২০৫ ইউরো বা প্রায় ২০,০০০ টাকা পাবেন ইনস্যুরেন্সের জন্য।

আবেদনের যোগ্যতা-

  • বাংলাদেশী নাগরিক হতে হবে।
  • অবশ্যই ১৮ বছর বয়স হতে হবে। বয়স ১৮ বছরের নিচে হলে আবেদন করতে পারবেন না।
  • আইইএলটিএস স্কোর ন্যূনতম ব্যান্ড স্কোর ৫ থাকতে হবে। তবে সাবজেক্ট ভেদে আরো বেশি লাগতে পারে। তাই আপনার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ের পছন্দের সাবজেক্টটির রিকোয়ারমেন্ট দেখে নিন।

আবেদন করবেন যেভাবে

১। প্রথম ধাপ: আবেদন করতে এখানে একাউন্ট খুলে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।২। দ্বিতীয় ধাপ: এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রদত্ত এই লিংকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।৩। তৃতীয় ধাপ: অনলাইন আবেদন সম্পন্ন করার পর আবেদনের কপি সহ প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট নিচের ঠিকানায় জমা দিতে হবে।

প্রাপকের ঠিকানা:যুগ্নসচিব (বৃত্তি)মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগশিক্ষা মন্ত্রণালয়,বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।

সমস্ত কাগজপত্রের হার্ডকপি ১৭ই জানুয়ারির মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে। সচিবালয়ের ২ নং গেইট সংলগ্ন অভ্যর্থনা কক্ষের ৯ নং কাউন্টারে সকাল ১০-১১ ও বিকাল ৩.৩০-৪.৩০ এর মধ্যে জমা দিতে হবে।

আমাদের সার্ভিস-

আবেদনের ক্ষেত্রে আপনি আমাদের অনলাইন সাপোর্ট নিতে পারেন। সার্ভিসটি নিলে আমরা আপনার একাডেমিক রেজাল্ট ও আইএলটিএস স্কোর অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করে দিবো। তারপর, অনলাইনে এপ্লিকেশন কমপ্লিট করে দিবো অথবা আপনি নিজে এপ্লিকেশন করতে চাইলে আবেদনের সময় অনলাইনে থেকে আবেদনের প্রতিটি পর্যায় চেক করে দিবো। এতে আপনি নির্ভুল ভাবে আবেদন করে নিশ্চিত থাকতে পারবেন। আর আপনি যদি স্কলারশিপটি পেয়ে যান, আপনার ভিসা প্রসেসিং ও মেডিক্যাল সার্টিফিকেট এর জন্য প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিবো। আমাদের সার্ভিস চার্জ ৫০০০ টাকা

Message Us

এছাড়াও, যাদের পক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এসে ডকুমেন্টস জমা দেয়া সম্ভব না তারা আমাদেরকে আবেদন সেট কুরিয়ার করতে পারেন। আমরা আপনার হয়ে আবেদন সেট জমা দিবো। ফি-৫০০ টাকা

আবেদনের জন্য যে ডকুমেন্টগুলো লাগবে-

  • মোটিভেশন লেটার
  • আইইএলটিএস স্কোর (যদি না থাকে তাহলে ১ আগস্ট ২০২০এর মধ্যে আইইএলটিএস দিয়ে আপলোড করতে দেয়া হবে)
  • একাডেমিক সার্টিফিকেট এবং ট্রান্সক্রিপ্ট (সার্টিফিকেট ১ আগস্ট ২০২০এর মধ্যে আপলোড করতে হবে)
  • মেডিকেল সার্টিফিকেট (যদি এখন না থাকে তাহলে ১ আগস্ট ২০২০ এর মধ্যে আপলোড করতে হবে)
  • পাসপোর্ট (যদি এখন না থাকে তাহলে ১ আগস্ট ২০২০এর মধ্যে আপলোড করতে হবে)

অনলাইনে আবেদন ১৫ জানুয়ারি, ২০২০ মধ্যে সাবমিট করতে হবে।

আবেদনের টাইমলাইন-

  • ১৬ জানুয়ারি- অনলাইন এবং সেন্ডিং পার্টনারের (শিক্ষা মন্ত্রনালয়) কাছে আবেদন সাবমিট
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি- টেকনিক্যাল চেক এবং নমিনেশন প্রসেস
  • মার্চ থেকে মে- সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে আবেদন প্রক্রিয়া
  • জুন- ফলাফল
  • জুন থেকে জুলাই- ভিসা এপ্লিকেশন প্রসেস
  • সেপ্টেম্বর- হাঙ্গেরি তে আসা
Facebook Comments

Leave a Comment